প্রতিনিধি ২৩ আগস্ট ২০২৫ , ১০:৪৩:৪৬
ইসলাম ডেস্কঃ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজগুলোর বেসরকারি ফান্ডের আয়-ব্যয়ের হিসাব হালনাগাদে কঠোরতা বাড়ানো হয়েছে।
>আরো পড়ুনঃ
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত সন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা
প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ নির্দিষ্ট ছক মোতাবেক তথ্য জমা দেওয়ার জন্য ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা না মানলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) অধিদপ্তরের শাখা-৬ (ভোকেশনাল-২) থেকে এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত ৯ জুলাই একই বিষয়ে পত্র দেওয়া হলেও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান সাড়া দেয়নি।
>আরো পড়ুনঃ
২০১৮ সালের নির্বাচনের বদনাম ঘোচাতে চায় পুলিশ : ডিএমপি কমিশনার
অধিদপ্তর বলছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১৪ সালের পরিপত্র অনুযায়ী টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজগুলোকে খাতওয়ারী আলাদা হিসাব নম্বর খুলে আয়-ব্যয়ের তথ্য সংরক্ষণ করতে হয়।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তাদের অনেকেই একাধিক খাতের অর্থ একই ব্যাংক হিসাব নম্বরে রেখেছেন, যা নিয়মবহির্ভূত। আবার উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রতিষ্ঠান কোনো তথ্যই দেয়নি। এটি সরকারি চাকরি বিধির পরিপন্থি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত হিসাব হালনাগাদ করতে বলা হয়েছে।
যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
অধিদপ্তরের চিঠি অনুযায়ী, গাজীপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, জামালপুর, দেওয়ানগঞ্জ, নেত্রকোণা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মাইজদী (নোয়াখালী), ফেনী, নাটোর, জয়পুরহাট, নীলফামারী, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, পার্বতীপুর, সিরাজগঞ্জ, সাতক্ষীরা, যশোর, নড়াইল, হোসেনাবাদ (কুষ্টিয়া), চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, বরিশাল, বরগুনা, ভোলা, সিলেট, কাপাশিয়া (গাজীপুর), শিবচর (মাদারীপুর), বেলাবো (নরসিংদী), ভেদরগঞ্জ (শরীয়তপুর), গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী), নান্দাইল (ময়মনসিংহ), মাদারগঞ্জ (জামালপুর), নালিতাবাড়ী (শেরপুর), আক্কেলপুর (জয়পুরহাট), সাপাহার (নওগাঁ), নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ), পত্নীতলা (নওগাঁ), পীরগঞ্জ (রংপুর), মুজিবনগর (মেহেরপুর), জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা), কালীগঞ্জ (সাতক্ষীরা), ডুমুরিয়া (খুলনা), আমতলী (বরগুনা), নাজিরপুর (পিরোজপুর), চাটখিল (নোয়াখালী), ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম), রাউজান (চট্টগ্রাম), শিবালয় (মানিকগঞ্জ), গোপালপুর (টাঙ্গাইল), সালথা (ফরিদপুর), দূর্গাপুর (নেত্রকোণা), কচুয়া (চাঁদপুর), কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মাধবপুর (হবিগঞ্জ), বানিয়াচং (হবিগঞ্জ), কেশবপুর (যশোর), মনিরামপুর (যশোর), নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর), তানোর (রাজশাহী), হরিপুর (ঠাকুরগাঁও), জুড়ী (মৌলভীবাজার), মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ), বটিয়াঘাটা (খুলনা) ও সৈয়দপুর (নীলফামারী) সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের প্রধানদের আয়-ব্যয়ের তথ্য সঠিকভাবে পাওয়া যায়নি।
একেবারেই সাড়া দেননি যেসব প্রতিষ্ঠান
অধিদপ্তরের চিঠি অনুযায়ী, জয়পাড়া (ঢাকা), মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর, শেরপুর, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ), কিশোরগঞ্জ, ভৈরব, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), বেগমগঞ্জ (নোয়াখালী), লক্ষ্মীপুর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, পাবনা, ঠাকুরগাঁও, ঝিনাইদহ, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, সুনামগঞ্জ, ছাতক (সুনামগঞ্জ), মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ধামরাই (ঢাকা), চারঘাট (রাজশাহী), ডিমলা (নীলফামারী), বোচাগঞ্জ (দিনাজপুর), নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম), কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট), ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া), হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর), গজারিয়া (মুন্সিগঞ্জ), নাগরপুর (টাঙ্গাইল), ডামুড্যা (শরীয়তপুর), টুঙ্গীপাড়া (গোপালগঞ্জ), কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ), ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ), রামগতি (লক্ষ্মীপুর), নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান), চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা), বরুরা (কুমিল্লা), মুরাদনগর (কুমিল্লা), গোলাপগঞ্জ (সিলেট), রাজনগর (মৌলভীবাজার), পাইকগাছা (খুলনা), শার্শা (যশোর), কালিয়া (নড়াইল), লালমোহন (ভোলা), গলাচিপা (পটুয়াখালী), দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়), শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ), দিঘীনালা (খাগড়াছড়ি), সাঘাটা (গাইবান্ধা), দুপচাচিয়া (বগুড়া), তেতুলিয়া (পঞ্চগড়), ইটনা (কিশোরগঞ্জ), শ্যামনগর (সাতক্ষীরা), দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ), কুতুবদিয়া (কক্সবাজার), হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ), কাউখালী (বরিশাল), কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ), হিজলা (বরিশাল) এবং শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ কোনো তথ্যই দেয়নি।
দেশের সকল জেলা–উপজেলা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে
শর্তসাপেক্ষে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হবে।
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. এনায়েত করিমের সই করা নির্দেশনায় বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সব প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ আয়-ব্যয়ের তথ্য পাঠানোর জন্য চূড়ান্তভাবে সতর্ক করা হয়েছে।







শিক্ষা উপদেষ্টার অনুমোদনের পর অপেক্ষা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর










