প্রতিনিধি ৩০ আগস্ট ২০২৫ , ৩:৩৩:৪৮
এম এ সাইদ (তন্ময়): বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আজ এক সংবেদনশীল মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে। রাজপথে তরুণদের রক্তপাত এবং ইসলামী দলগুলোর ভাঙাচোরা অবস্থার মধ্যে দেশের ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে।
আরো পড়ুন:
ইসি আনোয়ারুল এর মন্তব্য : ইতিহাসের সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হবে এবারের সংসদ নির্বাচন
🔹 যুবকের রক্তপাত: দায় কার?
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সংঘর্ষে বহু যুবক আহত ও নিহত হয়েছেন। এই রক্তপাত শুধু রাজনৈতিক ব্যবস্থার অপারগতা নয়, বরং ইসলামী দলগুলোর ভাঙাচোরা ঐক্যের ফলাফলও। যুবকের রক্ত আমাদের সতর্কবার্তা—বিভাজন জাতীয় শক্তিকে দুর্বল করে।
দেশের সকল জেলা–উপজেলা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শর্তসাপেক্ষে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
ইমেইল ঠিকানা:
🔹 ইসলামী দলের ঐক্যের প্রয়োজন
ইসলামী দলগুলো দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তি। জনগণের নৈতিক ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণে তাদের ঐক্য অপরিসীম গুরুত্ব রাখে। যদি ঐক্য ভেঙে যায়, তাহলে ক্ষমতার অন্য শক্তি তাদের সুযোগ নিয়ে গণতান্ত্রিক ও নৈতিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।
🔹 বিভাজনের পেছনের কারণ
নেতৃত্ব ও আদর্শগত দ্বন্দ্ব: জামায়াতের কিছু অংশ নেতৃত্ব দাবি করছে, অন্যরা আদর্শের ভিত্তিতে ঐক্য চায়।
ঐতিহাসিক দাগ: ১৯৭১ সালের অবস্থান এখনও বিতর্কের বিষয়।
রাজনৈতিক জোট: বিএনপি বা অন্যান্য দলগুলোর সঙ্গে জোটের বিষয়ে মতবিরোধ।
🔹 সংবাদ সূত্র
প্রথম আলো: ঢাকায় ইসলামী দলগুলোর সমাবেশ ঘিরে উত্তেজনা
সমকাল: ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যচেষ্টা নিয়ে বিভাজন
ইনকিলাব: ঐক্যের ডাক বনাম বিভাজনের ফাঁদ
বাংলা ট্রিবিউন: রাজনীতিতে ইসলামী শক্তির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও অন্তর্ঘাত
জাগো নিউজ: যুবকের রক্ত ও রাজনৈতিক সহিংসতার দায়
🔹 উপসংহার
যুবকের রক্ত যেন বৃথা না যায়, Islami দলগুলোর উচিত—
আদর্শগত দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্য গঠন,
নেতৃত্বের প্রশ্নে সমন্বয়,
ওম্মাহর জন্য নৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন।
ঐক্য ছাড়া মুক্তি, ঐক্য ছাড়া গণতন্ত্র, ঐক্য ছাড়া বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অসম্পূর্ণ। যুবকের রক্ত আমাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে—এবারই সময় ঐক্যের।
সাবস্ক্রাইব না করলে নিউজ পড়তে পারবেন না 📢