মসজিদের দানবাক্সে ১২ বস্তা টাকা,আরও স্বর্নালংকার - protidinislam.com | protidinislam.com |  
অর্থনীতি

মসজিদের দানবাক্সে ১২ বস্তা টাকা,আরও স্বর্নালংকার

  প্রতিনিধি ৭ নভেম্বর ২০২১ , ১:৩৩:০৫ প্রিন্ট সংস্করণ

Spread the love

ইসলাম ডেস্কঃ কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে সাধারণত তিন মাস পর পর দানবাক্স খোলা হয়।

আরো পড়ুনঃ

আবারও বাড়ছে এলপিজির দাম

এবার চার মাস ১৭ দিন পর আবারও খোলা হয়েছে। আটটি সিন্দুকে পাওয়া ১২ বস্তা টাকা গণনা করা হচ্ছে।

শনিবার (৬ নভেম্বর) সকালে মসজিদের ৮টি দানবাক্স খোলার পর শুরু হয়েছে দিনব্যাপী টাকা গণনার কাজ।

টাকা গণনা শেষে বিকেলে কতো টাকা পাওয়া গেল তার হিসাব পাওয়া যাবে।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা খানম ও পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শওকত উদ্দিন ভূঞা প্রমুখসহ আরও অনেকে টাকা গণনা কাজ তদারকি করছেন।

সর্বশেষ চলতি বছরের ১৯ জুন মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে গণনা করে দুই কোটি ৩৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭৯ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও স্বর্ণ ও রূপাসহ বেশ কিছু বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া যায়।

কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পশ্চিম প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে আনুমানিক চার একর জায়গায় ‘পাগলা মসজিদ ইসলামী কমপ্লেক্স’ অবস্থিত।

প্রায় আড়াইশ বছর আগে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে ইতিহাস সূত্রে জানা যায়। এই মসজিদের প্রতিষ্ঠা নিয়ে অনেক কাহিনী প্রচলিত আছে, যা ভক্ত ও মুসল্লিদের আকর্ষণ করে।

সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশ্বাস রয়েছে, এখানে মানত করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয়। আর এ কারণেই মূলত দূর-দূরান্তের মানুষও এখানে মানত করতে আসেন।

দান সিন্দুকে পাওয়া টাকা সাধারণত কমিটি, জনপ্রতিনিধি ও দায়িত্বশীলদের পরামর্শে বিভিন্ন মসজিদে দান-খয়রাত, মাদরাসার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় হয়ে থাকে।

আরও খবর

Sponsered content

ENGLISH